http://educationnetworkbd.blogspot.com/

Wednesday, March 4, 2015

আপনার প্রিয় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলটি প্যাটার্ন লক হলে আপনি নিজেই আনলক করুন (টিউটোরিয়াল)

আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই আশা করি ভাল। এখন আমরা সবাই অ্যান্ড্রয়েড ব্যাবহার করি আর প্যাটার্ন লক কম বেশি সবাই দিয়ে থাকি সচারচর কারন মোবাইলে পার্সনাল অনেক কিছুই থাকে আবার অনেক সময় আমরা নিজেরাই এই লক ভুলে যেয়ে নিজেরাই বিপদে পরি তাই আমি আমার টিউনে আজ বর্ননা করবো কিভাবে আপনি আপনার প্রিয় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলটি প্যাটার্ন লক হলে আপনি নিজেই আনলক করবেন যেভাবে চলুন দেখা জাক।
অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীকে অনেক গুলো নিরাপত্তা স্তরের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর বিভিন্ন রকমের তথ্য নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে। লক স্ক্রিন থেকে শুরু করে প্রতিটি অ্যাপলিকেশনের জন্যেও ইচ্ছে করলে একজন ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারেন নানা রকম নিরাপত্তা স্তর। সাধারণ লক স্ক্রিনের নিরাপত্তায় অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্ম কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদান করে থাকে। আপনার যদি একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন থেকে থাকে তবে নিশ্চয়ই আপনি এতদিনে নিরাপত্তার জন্য লক স্ক্রিনের সিকিউরিটি লেয়ার ব্যবহার করেছেন। বিভিন্ন রকম ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে লক স্ক্রিনের এই সিকিউরিটি লেয়ারে অ্যান্ড্রয়েড এনেছে বিভিন্ন ভ্যারিয়েশন। অক্ষর, ক্রমিক সংখ্যা এবং প্যাটার্ন – রাখা হয়েছে তিন রকমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে এগুলোর মধ্যে সবচাইতে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘প্যাটার্ন লক’, কেননা এতে করে সহজে আঙ্গুল না উঠিয়ে স্মার্টফোনটিকে আনলক করে ফেলা যায়। কিন্তু যদি আপনি আপনার স্মার্টফোনে আপনার ডিফাইন করা প্যাটার্ন লকটি ভুলে গিয়ে থাকেন তবে কি করবেন? চিন্তার কারণ নেই, আজকের টিউটোরিয়ালে আমরা তাই জানার চেষ্টা করব। আজকের টিউটোরিয়ালটি আমি দুই ভাগে ভাগ করেছি। এগুলো হচ্ছে ..

১। বেসিক লেভেল:
এই পদ্ধতিটি সবাই অনুসরণ করতে পারবেন, এমনকি আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সাথে এখনও ফ্যামিলিয়ার না হয়ে থাকেন তাহলেও।
২। অ্যাডভান্স লেভেল:এই পদ্ধতিটি অ্যাপলাই করার জন্য আপনাকে সামান্য কিছু অ্যাডভান্স বিষয় সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে, তবে কঠিন কিছুই না। তাহলে চলুন, শুরু করা যাক। বেসিক লেভেলঃ কিছু কিছু স্মার্টফোন লক করা অবস্থায় ফিজিক্যাল আনলক হার্ডওয়্যার বাটন চাপ দিলে প্রথমে স্লাইড লক স্ক্রিনে নিয়ে যায় আবার কিছু কিছু সরাসরি প্যাটার্ন লক স্ক্রিনে নিয়ে যায়, যদিও এই প্রক্রিয়াটি পুরোটাই ‘সেটিংস’ এর নির্ভর করে। যাই হোক, ধরুন আপনি প্যাটার্ন লক স্ক্রিনে আছেন। বার বার ভুল প্যাটার্ন কী দেয়ার পর আপনাকে কিছুটা সময় (৩০ সেকেন্ডের মত) অপেক্ষা করতে বলবে। নিচের স্ক্রিন শটটি দেখুন…
ক্ষেত্রে যেহেতু আপনি আপনার ‘প্যাটার্ন লক’ ভুলে গিয়েছেন তাই অপেক্ষা করে লাভ হচ্ছেনা। তাই, ‘Forgot pattern” অপশন সিলেক্ট করুন। নিচের মত স্ক্রিন দেখতে পাবেন, রম বা থিম ভেদে স্ক্রিনের ইন্টারফেস সামান্য পরিবর্তিত থাকতেই পারে তবে মূল বিষয়গুলো বদলাবে না।
এরপর ইউজার নেমের স্থানে আপনার সেই জিমেইল অ্যাকাউন্টটির ইমেইল ঠিকানা লিখুন যা আপনি আপনার স্মার্টফোনের সাথে ইন্টিগ্রেটেড করেছিলেন, এবং পাসওয়ার্ডের স্থানে ইমেইলের পাসওয়ার্ডটি দিন। সঠিক তথ্য প্রদানের পর আপনার স্মার্টফোনটি আপনার তথ্য চেক করবে এবং সঠিক হলে আপনাকে নতুন প্যাটার্ন ড্র করার জন্য বলবে। প্যাটার্নটি একবার ড্র করার পর কনফারমেশনের জন্য আপনাকে আবারও একবার ড্র করতে বলবে। ব্যাস কাজ শেষ!! অসুবিধা সমূহঃ ১। অনেকেই স্মার্টফোনের সাথে এখনও জিমেইল অ্যাকাউন্ট ইন্টিগ্রেটেড করেন না, হয়ত বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। অথবা, একবার জিমেইল অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পরে এর পাসওয়ার্ড ভুলে যান। এরকম হলে এই পদ্ধতিটি কাজে আসবে না। ২। আপনার ফোনটি ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড থাকতে হবে। আমি অফলাইনে এই পদ্ধতিটি ব্যবহারের চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়েছি।
একটি সিকিউরিটি ট্রিকসঃ অনেক স্মার্টফোনেই ডিফল্ট ভাবে ইন্সট্যান্ট লক অ্যাকটিভ করা থাকেনা, একটি নির্দিষ্ট সময় সেট করা থাকে। অর্থাৎ, আপনি লক বাটন প্রেস করলেই আপনার স্মার্টফোনটি ইন্সট্যান্ট লক হবেনা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপনি লক বাটন প্রেস করলে আর আপনাকে লক কোড/প্যাটার্ন ব্যবহার করতে হবেনা। আপনি ইচ্ছে করলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য ‘ইন্সট্যান্ট লক’ অ্যাকটিভ করে রাখতে পারেন। এই সেটিংসের জন্য যা করতে হবে, ১। মেন্যুতে ট্যাপ করুন। ২। সেটিংসে ট্যাপ করুন। ৩। লোকেশন এবং সিকিউরিটি অথবা শুধু ‘সিকিউরিটি’ তে ট্যাপ করুন। ৪। সিকিউরিটি লক টাইমার এবং ইন্সট্যান্ট লক সেটিং প্রয়োজন মত নির্ধারণ করুন। স্মার্টফোন ভেদে এই নির্দেশনা সামান্য ভিন্ন হতে পারে।
উপরের পদ্ধতি কাজ না করলে আরও একটি বেসিক পদ্ধতিতে আপনি আপনার স্মার্টফোনটি আনলক করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে আপনার স্মার্টফোনটির রিকোভারীতে গিয়ে হার্ড রিসেট করতে হবে। হার্ড রিসেট করার জন্য আপনার স্মার্টফোনের ভলিয়্যুম আপ অথবা ডাউন (একেক স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে একেক রকম) এবং লক বাটন একসাথে চেপে ধরে রাখতে হবে। এরপর ‘রিকভারী’ স্ক্রিন এলে হার্ড রিসেট করে ফেলুন। অসুবিধাঃ আপনার স্মার্টফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজে থাকা ডকুমেন্টস, কন্টাক্টস এবং ম্যাসেজ মুছে যাবে। অ্যাডভান্স লেভেল আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, ‘বেসিক’ পদ্ধতিতে কাজ হলে ‘অ্যাডভান্স’ পদ্ধতি কেন? কেননা, উপরের দুটি পদ্ধতিরই বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এজন্যেই আমরা অ্যাডভান্স লেভেল ব্যবহার করব। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। এই পদ্ধতিকে আমি অ্যাডভান্স লেভেল বলেলেও মূলত কাজ মোটামুটি সহজই। এই পদ্ধতি প্রয়োগ করার সময় আমার স্মার্টফোনটি রুটেড ছিল এবং “কাস্টম রিকভারীতে ছিল তবে রুটেড নয়” – এরকম স্মার্টফোনেও কাজ করবে বলে আশা করছি। সতর্কতাঃ যদিও আমি ইতোমধ্যে চেষ্টা করে সফল হয়েছি এবং কোন রকম সমস্যার সম্মুখীন হইনি তবুও এই পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে কেউ যদি কোন রকমের ক্ষতির সম্মুখীন হন তবে এর জন্য আমি কোন ভাবেই দায়ী থাকবোনা। এই পদ্ধতির জন্য আপনার‘Aroma File Manager’ ফাইল ম্যানেজারটি  থাকতে হবে। চলুন পদ্ধতিগুলো ধাপে ধাপে জেনে নেয়া যাকঃ আমি ধরে নিচ্ছি আপনার স্মার্টফোনটিতে কাস্টম রিকভারী দেয়া আছে এবং আপনি প্যাটার্ন বা পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েছেন। ১। ফাইল ম্যানেজারটি ডাউনলোড করুন, এক্সট্র্যাক্ট করবেন না। ১। স্মার্টফোনের মেমরী কার্ড খুলে মেমরী কার্ডের সাহায্যে অ্যারোমা ফাইল ম্যানেজারটি মেমরী কার্ডে প্রবেশ করান। মেমরী কার্ডের কোন ফোল্ডারে রাখবেন না, ফাইলটি মেমরী কার্ডের রুটে রাখুন। ২। আপনার ফোনটি রিকভারীতে রিবুট করুন। ৩। CWM এর ক্ষেত্রে, সবগুলো পার্টিশন মাউন্ট করুন, এমনকি আপনার যদি কোন sd-ext পার্টিশন থেকে থাকে তবে সেটিও মাউন্ট করুন। এবং এরপর ফাইলম্যানেজারটি ফ্ল্যাশ করুন। ফ্ল্যাশ করার সাথে সাথে দেখবেন ফাইল ম্যানেজারের একটি গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস চলে এসেছে। ৪। এখন, /data/system – এ প্রবেশ করুন। এক্ষেত্রে, আপনার যদি কোন sd-ext পার্টিশন থেকে থাকে তবে /sd-ext/system – এ প্রবেশ করুন। ৫। আপনি একটি gesture.key নামের ফাইল দেখতে পারবেন, মুছে দিন। আর যদি আপনি পাসওয়ার্ড মুছে দিতে চান তবে password.key মুছে দিন। ব্যাস হয়ে গেল। খেয়াল করুন, ৩ নম্বর প্রক্রিয়া থেকে TWRP রিকভারীর ক্ষেত্রেও একই হবে। আর স্টক রিকভারীতে যেহেতু মাউন্ট অপশন থাকেনা তাই সরাসরি ফাইলম্যানেজারটি রিকভারী থেকে ফ্ল্যাশ করে ৪ এবং ৫ নম্বর প্রক্রিয়া অনুসরণ করুন।
আশা করি, আজকের টিউটোরিয়ালটি অনেকের কাজেই আসবে। অ্যাডভান্স পদ্ধতিটির ক্ষেত্রে কিছুটা সাবধানে কাজ করবেন। আর আমি সবগুলো পদ্ধতিই নিজে প্র্যাকটিক্যাল করে দেখেছি তাই যদি কেউ সফল না হয়ে থাকেন তবে পদ্ধতিগুলো ভুল না ভেবে আবারো ধীরে সুস্থে চেষ্টা করুন। ভালো থাকুন সবাই। কোন সমস্যা থাকলে টিউনমেন্ট করতে ভুলবেন না।

Tuesday, March 3, 2015

এবার যেকোন গাণিতিক সমস্যা সমাধান করবে আপনার স্মার্টফোন, শুধু স্ক্যান করুন এবং সমাধান বের করুন। [Android, Windows, iOS]

-------------------------- بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ --------------------------
সুপ্রিয় টেকটিউনস কমিউনিটি সবাইকে আমার সালাম এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের টিউন।
গণিত বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলেও আমাদের কাছে ব্যক্তিবিশেষে গণিতের মূল্যায়ন একেক রকম। ছোটবেলায় পাড়া-প্রতিবেশি অনেকেই দেখতাম গণিত পরীক্ষায় প্রত্যেক বছর ফেল করছে আমার অনেকের কাছে গণিত নাকি অনেক মজার ব্যাপার। যখন হাইস্কুলে পড়তাম তখন বন্ধুরা মিলে মজার মজার গাণিতিক সমস্যা সৃষ্টি করে সেগুলো নিজেরা সমাধানের চেষ্টা করতাম। অবসর সময় গুলোতে গণিত নিয়ে মজার কোন ম্যাজিক কিংবা ধাঁধা সৃষ্টি করাও ছিলো মজার কাজ। কিন্তু দুঃখের কথা সেদিনের সেই গণিত এখন আর আগের মতো টানেনা, গণিত মানেই ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে সহজ সমাধানের প্রচেষ্টা। বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা এখন এতোটাই যন্ত্র নির্ভর হয়েছে যে আমার এক স্টুডেন্টের হাত থেকে একদিন ক্যালকুলেটর কেড়ে নিয়ে বললাম ১ ভাগ ১ = কত? সে উত্তর দিলো শুন্য (কেউ আমারে মাইরালা!)! তবে কেউ ভাববেন না যে আমি তাদেরকে পরিশ্রমী বানানোর উদ্দেশ্যে আজকের টিউন করছি। আমি আজ তাদের অলস মস্তিষ্ককে আরো অলস করার লক্ষ্যে টিউনটি করছি। না বুঝলে বুঝিয়ে বলছি, আসলে আমরা যে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করি সেটা দিয়ে হাতে টাইপ করে ক্যালকুলেশন করতে হয়। তাও সেটা আবার কিছু সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রের মাঝে থেকে। আজ আমি দেখাবো কিভাবে আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করে জটিল জটিল গাণিতিক সমস্যা শুধু মাত্র স্ক্যান করে সমাধান বের করতে পারবেন। তবে দেরী না করে চলুন শুরু করি।

PhotoMath – ফটোম্যাথ

PhotoMath হলো এমন একটি স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন যার সাহায্যে খুব সহজেই যেকোন গাণিতিক সমস্যাকে ফোন দিয়ে স্ক্যান করলে সেটা সেকেন্ডের মধ্যে তার সমাধান বের করে দিবে। আমি এরকম একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রায় ১বছর থেকে খুঁজছিলাম কিন্তু গত ৬মাস আগে এই অ্যাপ্লিকেশনটির দেখা পাই। তবে দুঃখের কথা হলো অ্যাপ্লিকেশনটির iOS এবং Windows ভার্সন থাকলেও কোন Android ভার্সন ছিলো না। তাই ভেবে রেখেছিলাম যেদিন Android ভার্সন বের হবে সেদিন টিউন করবো। কাল অ্যাপ্লিকেশনটির অ্যান্ড্রোয়েড ভার্সন অফিশিয়ালি রিলিজ হওয়াতে আপনারা গরম গরম পেয়ে গেলেন। ডাউনলোড শুরু করার আগে চলুন অ্যাপ্লিকেশনটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাক। তবে প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক যে অ্যাপ্লিকেশনটি কীভাবে কাজ করে। নিচের ছবিটি দেখলে হয়তো আপনাদের ধারনা স্পষ্ট হবে।
শুধু ফোন দিয়ে ম্যাথমেটিকেল প্রবলেমগুলো স্ক্যান করুন | ফলাফল নিজেই দেখুন

PhotoMath Special Feature – ফটোম্যাথ বিশেষ সুবিধা

আমি আগেই বলেছি যে অ্যাপ্লিকেশনটি খুব দ্রুত ম্যাথমেটিকেল ক্যালকুলেশন করতে পারে। অ্যাপ্লিকেশনটি আমি যখন আমার ফোন দিয়ে প্রথম ব্যবহার করি তখনি খুব আশ্চর্য হয়ে যাই এর দ্রুত ক্যালকুলেশন ক্ষমতা দেখে। অ্যাপ্লিকেশনটি দিয়ে সাধারন ক্যালকুলেশন সহ কিছু জটিল হিসাবও খুব সহজে করা যায়। তবে আমি তাদের মধ্যে কিছু ফিচার সমন্বনিত একটি চিত্র আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।
কিছু ফিচার | এগুলোই কিন্তু শেষ নয় | আপনার জন্য আরও আছে
উপরের টার্মগুলো ছাড়াও আপনি মডুলাস তথা পরম মানের অঙ্কগুলোরও সমাধান করে ফেলতে পারবেন। যোগ বিয়োগ গুন কিংবা ভাগ অঙ্ক তো চোখের পলকে করে ফেলতে পারবেন কিন্তু আরো জটিল কিছু হিসাব কতো সহজে হয় সেটাই চলুন দেখে নেই কিছু সমস্যার চিত্রের সাহায্যে। যা আপনি এখনি চেক করে দেখতে পারবেন।
  • জটিল বীজগাণিতিক সমীকরন খুব সহজেই সমাধান করতে পারবেন।

  • ভগ্নাংশের অঙ্ক সমাধান করতে পারবেন।

  • সরল সমীকরন সমাধান করে অজানা রাশির মান নির্ণয় করতে পারবেন।

  • রুট কিংবা পাওয়ারের অঙ্কের সমাধান বের করতে পারবেন।

  • সহজ ক্যালকুলেশন সুবিধা, শুধু নিজের ইচ্ছেমতো সমীকরন স্ক্যান করুন। তারপর তাৎক্ষণিক ফলাফল কিংবা সম্প্রতি স্ক্যান করা ফলাফল সমূহ দেখতে পারবেন।

ডাউনলোড PhotoMath

ফিচারসমূহ যদি মনে ধরে তাহলে নিশ্চয় ডাউনলোড করতে মন চাইবে। অ্যাপ্লিকেশনটি যেহেতু iOS, Windows Phone এবং Android এ কাজ করবে সেহেতু তিনটার আলাদা আলাদা ডাউনলোড লিংক দেওয়ার চাইতে সবগুলো ডাউনলোডের জন্য মিলিত লিংক দিলাম। নিচের ডাউনলোড লিংক থেকে আপনার ডিভাইস অনুযায়ী ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড শেষে ইনস্টল করার পরেই সব আপনার হয়ে যাবে। অ্যাপ্লিকেশনটি সম্পূর্ণ ফ্রি হওয়াতে আপনি অবাধে সব ব্যবহার করতে থাকুন। টিউনের প্রথমে বলেছি অ্যাপ্লিকেশনটি ছাত্রদের অলস বানাতে দেওয়া হয়েছে! আসলে আমি চাই আপনারা নিজে পরিশ্রম করে আমার কথাটি মিথ্যা প্রমাণ করে দিন।

Monday, March 2, 2015

Call Block না করেও শিক্ষা দিন বিরক্তিকর কলারকে (বিনা খরচে বিনা সফটওয়্যার)

আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন সবাই আশারাখি ভালই আছেন । ইন্টার নেট ঘাটতে ঘাটটে Call Block এর একটি টিপর্স
পেলাম । সেটাই আজ আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করছি। কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।
অনেক সময় আমাদের মোবাইল এ বিরক্তিকর কল আসে । সেটা বন্ধ করতে আমরা বেছে নেই call block সার্ভিস । সে জন্য অপারেটররা প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা কেটে নেয় । এমনকি আমরা বিভিন্ন প্রকার call block সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি । কিন্তু আমরা অনেকেই এই ২ টি পদ্ধতির কনটাই ব্যবহার করতে পারিনা বা চাইনা । তাই এইসব ঝামেলায় না গিয়ে আপনাদের একটা সহজ টিপস দেব । আপনারা অনেকেই হয়ত এটা জানলেও জানতে পারেন । চলুন দেখে আসি কিভাবে এটা করবেন ।
*** জিপি, রবি, বাংলালিংক এবং এয়ারটেল গ্রহকদের জন্য ***
প্রথমে আপনি আপনার মোবাইল এর call divert অপশন এ জান (voice call) ।
তারপর সেখান থেকে Divert when busy / If busy তে চাপুন এবং Activate চাপুন ।
তারপর To other number এ নিচের অপারেটর অনুসারে নাম্বার বসিয়ে দিন এবং Ok চাপুন । বাস আপনার কাজ শেষ ।
ক) জিপি এর জন্য – ১২৬৬
খ) রবি এর জন্য – ৮১২১
গ) বাংলালিংক এর জন্য – ৭৭০
ঘ) এয়ারটেল এর জন্য – ৭৮৯
** সিটিসেল এবং টেলিটক গ্রাহকরা তাদের voice mail নাম্বার বাবহার করে ট্রাই করে দেখেন হতেউ পারে ।
এবার ফলাফলঃ
এখন যে কলার ই আপানাকে call করুক না কেন, আপনি শুধু call টা কেটে দিন । এখন যে আপনাকে call করেছে তার ১২টা বাজতে শুরু করেছে । অর্থাৎ তার মোবাইল এ Call টা রিসিভ হয়ে গ্যাসে । ভয় নেই, আপনার টাকা কাটবেনা ।
আমার কথা বিশ্বাস না হলে হাতের কাছের মোবাইল টা দিয়ে ট্রাই করে দেখুন ।
**cancel করতে Divert when busy / If busy তে গিয়ে cancel চাপুন ।
ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।
এই কামনাই করি।
আমার জন্য দোয়া করবেন
“আল্লাহ্ হাফেজ”

Sunday, March 1, 2015

ফেসবুক এর ৯টি গুরুত্বপূর্ণ এবং দুর্দান্ত টিপস ও ট্রিকস

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক বর্তমানে এতো বেশি জনপ্রিয় যে এটি এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে । আমরা ফেসবুকের প্রতি এতো বেশিই ঝুঁকে পড়ছি যে চাইলে পুরো একটা দিন ফেসবুক নিয়ে মগ্ন থাকাও অসম্ভব কিছু নয় । ঘণ্টায় ঘণ্টায় স্ট্যাটাস আপডেট দেওয়া, বন্ধুর ছবিতে মজাদার কমেন্ট করা কিংবা কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদে ঝড় তোলা – কী না হচ্ছে এর মাধ্যমে ! কিন্তু অনেকেই ফেসবুকের সবগুলো ফিচার সম্পর্কে জ্ঞাত নয় । তাই এখানে ফেসবুকের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার তুলে ধরা হলো :
১) বন্ধুর তালিকা বানানো
1
আপনি যদি এমন কোনো লিখা বা ছবি পোস্ট করতে চান যেটা নির্দিষ্ট কিছু বন্ধু দেখতে পাবে, তাহলে আপনি সেই বন্ধুদের নিয়ে একটি তালিকা বানাতে পারেন । এর জন্যে https://www.facebook.com/bookmarks/lists এই লিঙ্কে যান আর Create List বাটনে ক্লিক করে পছন্দসই নাম দিয়ে তালিকা বানিয়ে ফেলুন । তারপর এর মধ্যে আপনার বন্ধুদের যোগ করে নিন ।

২) প্রতিটি পোস্টের সময় নির্ধারন করুন
2
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে আপনার হয়তো কিছু পোস্ট করা জরুরী ছিলো কিন্তু তাড়াহুড়ার কারণে আপুনি তা পারেননি – যদি এমনটি হয়ে থাকে, তবে আপনি পরবর্তীতে তা পোস্ট করার ক্ষেত্রে ইচ্ছেমতো সময়টাও সেট করে নিতে পারেন । এর জন্যে আপনাকে স্ট্যাটাস বক্সের নিচে ঘড়ির আইকনটিতে ক্লিক করতে হবে ।

৩) গোপন গ্রুপ খুলুন
3
কাছের বন্ধুরা মিলে এমন একটা গ্রুপ খুলতে চাইছেন যেটা কখনো অন্য কেউ চাইলেও দেখতে পাবে না ? হ্যাঁ, ফেসবুক আপনাকে সেই ফিচারের সুবিধাও দিচ্ছে । নতুন গ্রুপ খোলার সময় প্রাইভেসি Secret করে দিন আর বন্ধুদের এতে যোগ করে নিন । গ্রুপের সদস্য ছাড়া আর কেউ আপনার গ্রুপটি খুঁজে পাবে না ।

৪) পুরো ছবির অ্যালবাম একসাথে ডাউনলোড করুন
4
হঠাৎ করে আপনার কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ ফরম্যাটেড হয়ে গেলো এবং সেই সাথে আপনার প্রিয় সব ছবিগুলো মুছে গেলো । ঠিক সেই মুহুর্তে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে, আপনার ফেসবুক অ্যালবাম থেকে পুনরায় সব ছবি ডাউনলোড করে রাখবেন । কিন্তু কিছু ছবি ডাউনলোড করার পর আপনি বুঝতে পারলেন যে এভাবে একটা একটা করে ছবি ডাউনলোড করা সত্যিই অনেক ঝামেলার ব্যাপার । সমাধান চান ? PICK&ZIP আপনাকে পুরো অ্যালবামের ছবিগুলো একসাথে ডাউনলোড করার সুবিধা দিচ্ছে । এর জন্যে চলে যান http://www.picknzip.com এই ঠিকানায় ।

৫) নির্দিষ্ট বন্ধুদের সাথে চ্যাট করুন
5
নির্দিষ্ট কিছু বন্ধুর সাথে চ্যাট করতে চান অফলাইনে থেকে ? Chat বক্স ওপেন করে ডানপাশের Options আইকনে ক্লিক করে সেট করে নিন কার কার সাথে আপনি অনলাইনে থাকতে চান কিংবা কার কার সাথে অফলাইনে থাকতে চান ।

৬) উলটা ফন্টে স্ট্যাটাস আপডেট করুন
6
ছবির মতো করে উলটাভাবে স্ট্যাটাস আপডেট করতে চান ? চলে যান http://www.fliptext.org এই ঠিকানায় আর দেখুন যাদু !

৭) বিরক্তিকর অ্যাপস ইনভাইটেশন বন্ধ করুন
7
ফেসবুকে এমন ইউজার খুঁজে পেতে কষ্ট হবে যিনি কি না তার বন্ধুদের কাছ থেকে কখনও কোনো গেমস কিংবা কোনো অ্যাপস এর ইনভাইটেশন পাননি । মাঝে মাঝে এই ব্যাপারটা বড়ই যন্ত্রণাদায়ক হয়ে উঠে । এর থেকে নিস্তার পেতে চাইলে কী করবেন ? https://www.facebook.com/settings?tab=blocking এই ঠিকানায় চলে যান আর ঠিক করে নিন কে কে আপনাকে আর কখনো ইনভাইটেশন পাঠাতে পারবে না । আপনি চাইলে অ্যাপসটাও ব্লক করে রাখতে পারেন ।

৮) ডিভাইস নেইম পরিবর্তন করুন
8
আপনার বন্ধুদের কেউ কেউ স্ট্যাটাস দিচ্ছে যার পাশে লিখা থাকছে via iOS কিংবা via Windows Phone কিংবা এমন আরও অনেক কিছু । এসব দেখে আপনি ঈর্ষান্বিত ? তাহলে আর দেরি কেনো ? আপনিও স্ট্যাটাস আপডেট দিন ডিভাইস নেইম পরিবর্তন করে । এর জন্যে আপনাকে যেতে হবে http://fbstatusvia.com এই ঠিকানায় ।

৯) চিরতরে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করুন
9.1
মাঝে মাঝে কিছু সঙ্গত কারণে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডি-অ্যাক্টিভ করে রাখার প্রয়োজন হয় । এর জন্যেhttps://www.facebook.com/deactivate.php এই ঠিকানায় গিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট ডি-অ্যাক্টিভ করে রাখতে পারেন । যতোক্ষণ আপনার অ্যাকাউন্ট ডি-অ্যাক্টিভ আছে, ততোক্ষণ আপনাকে কেউ ফেসবুকে খুঁজে পাবে না । আপনি চাইলে আবারও ইউজার নেইম/ইমেল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করে ফেসবুকে ফিরে আসতে পারেন । আপনি যদি চান ফেসবুক নির্দিষ্ট কিছুদিন পর অটোম্যাটিক্যালি আপনার অ্যাকাউন্ট রি-অ্যাক্টিভ করে দিক, তাহলে Auto reactivate বক্সে ক্লিক করে কতো দিন পর রি-অ্যাক্টিভেশন চান তা বাছাই করে নিন ।
9.2
আপনি কি চাইছেন আপনার অ্যাকাউন্টটি চিরতরে ডিলিট করে দিতে ? চলে যান https://www.facebook.com/help/delete_account এই ঠিকানায় । Delete My Account বাটনে ক্লিক করুন । ফেসবুক আপনাকে জানিয়ে দিবে আপনার অ্যাকাউন্ট ডিলিট হতে কতোদিন সময় লাগবে ।

শর্টকাট ভাইরাস থেকে চির মুক্তি নিয়ে নিন (একাধিক উপায়)

হঠাৎ করে দেখলেন কম্পিউটার শর্টকাট ফাইল-ফোল্ডারে ভরে গেছে। বারবার ডিলিট করেও এ থেকে মুক্তি মিলছে না। হুটহাট অনেক ফাইল-ফোল্ডার হারিয়েও যাচ্ছে। ইদানীং এই সমস্যায় প্রায় সবাই পড়ছেন। এটি কোনো ভাইরাস নয়। এ হলো VBS Script (ভিজুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট)। এ যন্ত্রণা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পেতে পারেন। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
ভাইরাস থেকে চির মুক্তি নিয়ে নিন
CMD ব্যবহার করে
১. ওপেন CMD (Command Prompt – DOS)
২. নিচের কমান্ডটি হুবহু লিখুন
attrib -h -s -r -a /s /d Name_drive:*.*
এবার Name_drive লেখাটিতে যে ড্রাইভটি আপনি শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত করতে চান সেটি লিখুন। যেমন: C ড্রাইভ ভাইরাসমুক্ত করতে চাইলে লিখুন attrib -h -s -r -a /s /d c:*.*
৩. এন্টার বাটন চাপুন
৪. এবার দেখবেন শর্টকাট ভাইরাস ফাইল ও ফোল্ডারগুলো স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এবার ওই ফাইল ও ফোল্ডারগুলো ডিলিট করে দিন।
.bat ব্যবহার করে
Bat ফাইল হলো নোটপ্যাডে লেখা একটি একজেকিউটেবল ফাইল। এতে ডাবল ক্লিক করলেই চালু হয়ে যায়।
১. নোটপ্যাড ওপেন করুন।
২. নিচের কোডটি হুবহু কপি-পেস্ট করুন
@echo off
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
attrib -h -s -r -a /s /d Name_Drive:*.*
@echo complete.
৩. এবার Name_Drive এর জায়গায় ভাইরাস আক্রান্ত ড্রাইভের নাম লিখুন। যদি তিনটির বেশি ড্রাইভ আক্রান্ত হয় তাহলে কমান্ডটি শুধু কপি-পেস্ট করলেই চলবে।
৪. removevirus.bat এই নাম দিয়ে ফাইলটি সেভ করুন।
৫. এবার ফাইলটি বন্ধ করে ডাবল ক্লিক করে রান করুন।
৬. এবার দেখবেন আপনার শর্টকাট ভাইরাস ফাইল-ফোল্ডারগুলো সব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এখন সব ডিলিট করে দিন।
এছাড়া নিচের কৌশলও নিতে পারেন
আক্রান্ত পেনড্রাইভ থেকে বাঁচতে
১. RUN এ যান।
২. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
৩. Stop script after specified number of seconds: এ 1 দিয়ে APPLY করুন। এবার কারো পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাস আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।
আক্রান্ত কম্পিউটার ভাইরাসমুক্ত করতে
১. কী বোর্ডের CTRL+SHIFT+ESC চাপুন।
২. PROCESS ট্যাবে যান।
৩. এখানে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
৪. End Process এ ক্লিক করুন।
৫. এবার আপনার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে যান।
৬. সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ করুন।
৭. wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE দিন।
৮. যেই ফাইলগুলো ডিলিট হচ্ছে না ওইগুলো স্কিপ করে দিন।
৯. এখন RUN এ যান।
১০. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
১১. Stop script after specified number of seconds: এ 1 দিয়ে APPLY করুন।
ব্যাস, আপনার কম্পিউটার শর্টকাট ভাইরাসমুক্ত। এবার পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাসও আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।

সহজেই ওয়েব সাইট ডিজাইন করার কয়েকটি টুলস

এখন ওয়েবপেজ ডিজাইন করার অনেক সফটওয়্যার বের হয়ে গেছে যা দিয়ে প্রোগ্রামিং নলেজ ছাড়াই ডায়নামিক সাইট তৈরী করা যায়। আজ আমি সবাইকে এমনই কয়েকটি সফটওয়্যার এর সন্ধান দেব। তাহলে শুরু করা যাকঃ

Artisteer

Sothink DHTML Menu

sothnick1.gif

Altova StyleVision Enterprise Edition

altova.jpg

WebSmartz

websmartz-slideshow-designer_3.JPG

Web Piston Site Builder

web_piston_site_builder.jpg

Actual Drawing 7.4

actual-drawing.gif

Web Page Maker

webpage.gif

WebSite X5 Evolution

website-x5-evolution.png

Nvu

nvu.png

PageBreeze Free HTML Editor

pz-breeze.jpg

A4Desk

a4desk.jpg
আর এই সফটওয়্যার গুলোর ডাউনলোড লিংক প্রতিনয়ত পরিবর্তন হচ্ছে ঐসব সাইট আপডেট এর কারনে। এমন কিছু পেলে ভুয়া লিংক না বলে আমাকে জানান।

ছবি থেকে বানিয়ে ফেলুন ভিডিও (গুগল মামা থেকে বাছাই করে সেরা ছোট সফট)

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে ভালো আছি।

আমরা সাধারণত ছবি থেকে ভিডিও তৈরি করার জন্য অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রো, ইউলিড মিডিয়া স্টুডিও প্রো Video Studio, ইত্যাদি সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। অস্বীকার করার উপায় নেই এসব সফটওয়্যার ছাড়া উচ্চমানের ভিডিও এডিটিং করলে খুব একটা ভালো হবে না। কিন্তু এসব সফট কিন্তু যাদের পিসি লো কনফিগারেশন তাদের কাজ করতে বারোটা বাজবে। আর যাদের পিসির কনফিগারেশন ঠিক আছে তারা পারবে আর আমার মত যাদের পিসি লো কনফিগারেশন তাদের জন্য একটা সফট পেলাম গুগলে মামাকে কাজে লাগিয়ে, ব্যবহার করে দেখলাম খারাপ না, তাই সকলের মাঝে এসে শেয়ার করা, আশা করি ভালই লাগবে।

প্রথমে এখান থেকে সফট টি ডাউনলোড করে নিন, তারপর অন্যান্য সফট এর ন্যায় চালু করুন।

এবার + বাটনে ক্লিক করে আপনার ছবিগুলো দেখিয়ে দিন।

আর দেখানো জায়গায় ক্লিক করে আপনার পছন্দের গানটি দিয়ে দিন। আর Effect বক্স থেকে এক একটি ছবির জন্য এক এক রকম ইফেক্ট সিলেক্ট করুন।

সব কিছু ঠিক থাকলে এবার Start বাটনে ক্লিক করুন।

তাহলে নিচের মত আসবে এবার আপনার পছন্দের ভিডি ফরম্যাট এবং ভিডি দেখতে কেমন হয়েছে দেখুন।

সব কিছু ঠিক থাকলে অবশেষে Start ক্লিক করুন। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল ছবি থেকে ভিডিও এবার দেখুন কেমন হয়েছে।
ভালো লাগলে টিউমেন্ট করতে ভুলবেন না, আজ এই পর্যন্ত।

পিসি শর্টকাট ভাইরাস এ আক্রান্ত???? কোন সমস্যা নাই আমি আছিনা?? [MEGA POST]

আসসালামু আলাইকুম
সবাই কেমন আছেন ???? আশা করি ভালো আছেন অনেকদিন ধরে টিউন করিনা আজ হঠাত করে বসে পরলাম পিসি এর একটা টিউন নিয়ে শর্টকাট ভাইরাস টা অনেক ফহিন্নি একটা ভাইরাস যে এটার ভেজালে পড়েছে সে জানে এটা কি করতে পারে আমি আপনাদের এমন একটি সফটওয়্যার দেব যা USB এর সম্পূর্ণ সুরক্ষা দেবে তো আর দেরি কেন ???
D0wnload Link- http://upfile.mobi/824290
ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন ইউজার নেম পাসওয়ার্ড দিয়ে একটিব করে নিন ফুল ভার্সন।
পরে যে ড্রাইভ ভাইরাস এ আক্রান্ত অইটা স্কেন করে ভাইরাস ডিলেট করে দিন বাস কাজ শেষ তারপরও যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে তো আমি আছি ।

গরম গরম ডাউনলোড করে নিন Avira Antivirus Pro 2015 v15.0.8.624 সাথে থাকছে সিরিয়াল কী।

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। আশা করি ভালো আছেন। আমিও আল্লাহ্‌র রহমতে ভালো আছি বিধায় আজকে আপনাদের সাথে আরেকটি টিউন শেয়ার করতে যাচ্ছি।
আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারাই জানি কেন এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা হয়। আর যারা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করেন তারা অবশ্যই Avira এন্টিভাইরাস এর শুনেছেন। হে, বর্তমান বিশ্বে জনপ্রিয় এন্টিভাইরাসের মধ্যে এভিরা হল অন্যতম একটি। তাই আজকে আমি আপনাদের সাথে Avira Antivirus Pro 2015 v15.0.8.624 সিরিয়াল কী সহ শেয়ার করছি।
একটি এন্টিভাইরা সম্পর্কে বিস্তারিত বললে হয়ত বুঝদারি হয়ে যাবে। কম বেশী সবাই বুঝেন যে এন্টিভাইরাস কী। তারপরও এভিরা সম্পর্কে সামান্য বলি। এটি ভার্সনটি ব্যবহার করে আপনি প্রিমিয়াম প্রটেকশন পাবেন। তাহাছাড়া যে কোন প্রকার ভাইরাস আটকাতে পারবেন যদি সঠিক ভাবে ব্যবহার করেন। যেমনঃ viruses, worms, trojans, rootkits, phishings, adware, spyware, bots and dangerous “drive-by” downloads ইত্যাদি।
আপনি যদি এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন তাহলে Android Antivirus হিসেবে কোনটি ব্যবহার করবেন? আসুন দেখে নেই কোন এন্টিভাইরাসটি আপনার জন্য নিরাপদ।  এই টিউনটি পড়ে নিবেন।

নতুন ফিচার গুলোঃ

  • Revised update mechanism offering more flexibility and better support for scenarios using a proxy
  • Additional sensors for Behavior-based Detection have been implemented
  •  The Avira Free Antivirus detection update frequency has been increased (default frequency is set on 2h, same as Avira Antivirus Pro)

Screenshots

Downloads

কিভাবে ইন্সটল করবেনঃ

  • Install the App (Use Test Mode to Install it)
  • After Installation Run “Avira Key” From “Key” folder
  • Done Enjoy

Friday, February 27, 2015

আউটসোর্সিংয়ের কাজের জন্য কোনটি শিখবেন? সফল হবেন কিভাবে? পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

অনেকে বর্তমানে এটুকু সচেতন যে, তাকে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে হবে। বসে সময় নষ্ট করলে যে নিজের ক্ষতি, সেটা এখন অনেকেরই উপলব্ধিতে চলে আসছে। এখনও যাদের আসেনি, তাদের জন্য আমার এ লেখাটি।
jobboard
যারা ক্যারিয়ারের ব্যাপারে সচেতন হয়েছেন, তাদের এখন প্রশ্ন কোনটি শিখবেন? কি শিখলে কাজ করতে পারবেন।
যে কোন কাজ জেনেই আপনি ভাল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন। তবে, গ্রাফিকস, এসইও, ওয়েবডিজাইন, ইমেইল মার্কেটিং, অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও অ্যাডিটিং এগুলোর সবকয়টির চাহিদাই বেশি। কোনটি আপনি শিখবেন সেটির উত্তর আপনার নিজেকে ঠিক করতে হবে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার নাকি ব্যাংকার কোনটা হবো, সেটির উত্তর যেমন দেওয়াটা খুব কষ্টকর, তেমনি এ উত্তরটি দেওয়াও কষ্টকর। কারণ সবগুলোই একইরকম ভাল সেক্টর।
তবে আমি সবগুলোর ক্যারিয়ার নিয়ে জানাতে পারি, যাতে সবার জন্য সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়।
১। এসইও: যে কোন কোম্পানীর জন্য মার্কেটিংটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি কাউকে আলাদাভাবে বলার প্রয়োজন নাই মনে হয়। মার্কেটিং হচ্ছে ১টা কোম্পানীর জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ন বিষয়। এ মার্কেটিং অনলাইনে করলে সেটিকেই এসইও বলে। অর্থাৎ ১টা কোম্পানীর পুরো ব্যবসা নির্ভর করে, এসইও এক্সপার্টদের উপর।
এসইও কি এবং তার ক্যারিয়ার কেমন, সেটি জানতে আমার লেখা এ লিংকটি দেখতে পারেন:http://genesisblogs.com/featured/595
এসইও জেনে কোন কোন সেক্টরের মাধ্যমে আয় করতে পারবেন, সেটি জানতে এ পোস্টটি সাহায্য করবেঃ
২। গ্রাফিক ডিজাইন: যে কোন কোম্পানীর লোগো, ব্রুশিয়ার থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রিন্টিং জাতীয় সকল প্রোডাক্ট গ্রাফিক ডিজাইনাররা তৈরি করেন। আবার যে কোন ওয়েবডিজাইনের শুরুতে কিংবা ভিডিও অ্যাডিটিংয়ের কাজে কিংবা অ্যানিমিশন প্রজেক্টের ক্ষেত্রেও গ্রাফিক ডিজাইনারদের প্রয়োজন। এমনকি এসইও প্রজেক্টের গ্রাফিক ডিজাইনারদের সাহায্য প্রয়োজন হয়। এবার নিজেরেই মনে মনে বের করে নিন, গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য কি পরিমাণ কাজ থাকতে পারে এবং কখনও তাদের কাজের ঘাটতি হবে কিনা।
গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য অনলাইনে কাজের সেক্টরগুলো জানার জন্য আমার এ লেখাটি পড়তে পারেন।
কিভাবে নিজেকে সফল গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে প্রস্তুত করবেন, সেটির গাইডলাইন দিয়ে আমি ২পর্বের আর্টিকেল লিখেছিলাম। সেটি লিংক:
১ম পর্ব : http://genesisblogs.com/tips-2/9877
৩। ওয়েবডিজাইন:  ওয়েবডিজাইনারদের সুবিধা হলো, এ সম্পর্কিত কাজগুলো যোগাড় করার জন্য খুব বেশি প্রতিযোগীতাতে পড়তে হয়না। সেজন্য ওয়েবডিজাইনার হলে ক্যারিয়ার গড়ে তোলাটা অপেক্ষাকৃত সহজ। মার্কেটপ্লেসগুলোতে এ কাজগুলোর প্রতি ঘন্টার রেট ও গ্রাফিকসের কাজের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।
ওয়েবডেভেলপার কিভাবে হবেন, এ সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার গাইডলাইন দিয়ে একটি আর্টিকেল রয়েছে আমার।
Global communication
৪। ইমেইল মার্কেটিং:  ইমেইল মার্কেটিংয়ের কাজটি উপরের সবগুলোর তুলনায় অনেক সহজ। মার্কেট প্লেসে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফলতার জন্য, কিংবা নিজের বা অন্যের কোন ব্যবসার প্রমোশনের কাজের জন্য এটি শিখতে পারেন। কিংবা গ্রাফিক, ওয়েব ডিজাইনের কাজ যোগাড় করার জন্য ইমেইল মার্কেটিংয়ের জ্ঞানটি অনেক বেশি উপকারে আসবে।
ইমেইল মার্কেটিংয়ের ক্যারিয়ার গাইডলাইন এবং কাজের ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আমার লেখা রয়েছে।
৫। ভিডিও এডিটিং :  ভিডিও এডিটিং কাজগুলো যেমন মজার, তেমনি কাজটি সহজ আবার আয় করার সুযোগও বেশি। মূলত টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জন্য ভিডিও এডিটিং প্রয়োজন হলেও বর্তমানে ইউটিউবের যুগে ভিডিও এডিটিংয়ের কাজের সেক্টর অনেক বেড়ে গেছে।
ভিডিও এডিটরদের ক্যারিয়ারের ক্ষেত্র নিয়েও একটা লেখা লিখেছি।
৬। অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট :  যারা প্রোগ্রামিংয়ে মোটামুটি ধারণা আছে, তাদের জন্য আমার সবসময়ের পরামর্শ থাকে অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট শিখে নিন। বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সব সময় এ সেক্টরটির অনেক চাহিদা থাকবে। মার্কেটপ্লেসগুলোতে এ ধরনের কাজের প্রতিযোগীতা কম থাকে এবং কাজের প্রতি ঘন্টা রেটও অনেক বেশি হয়।
জেনেসিসব্লগসে এ বিষয়ে একটি লেখা পোস্ট করা হয়েছে। সেটি পড়লে এ বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে।
৭। নেটওয়ার্কিং (CCNA):    CCNA  সার্টিফাইড হয়ে অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ থাকলেও এ বিষয়ে দক্ষ হতে পারেন , যারা লোকাল মার্কেটের সবচাইতে চাহিদা সম্পন্ন কাজের সেক্টরগুলোতে (ব্যাংক, টেলিভিশন, টেলিকমিউনিকেশন) চাকুরী করতে আগ্রহী তারা।
এ সেক্টরের ক্যারিয়ার নিয়ে বিস্তারিত গাইডলাইন পাবেন আমার লেখাটি পড়ে।
৮। আর্টিকেল রাইটিং:  লেখালেখি শিখেও অনলাইনে বড় ক্যারিয়ার গড়ে তোলাটা খুব সহজ। একজন ব্লগ রাইটারের অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে ব্যাপক চাহিদা।
লেখালেখির কাজ শিখার জন্য গাইডলাইন পাবেন এরকম পোস্টের লিংক দিচ্ছি।
আর্টিকেল রাইটিং বিষয়ে আমার ১টি ক্লাশের ভিডিও দেখেও কিছু গাইডলাইন পাবেন।
ভিডিও লিংক: http://youtu.be/lLOYQSK-PtY
আর্টিকেল রাইটিং করে আয়ের সেক্টরগুলো নিয়ে একটি পোস্ট আছে।
career
৯। ভিডিও চ্যানেল তৈরি:  ইউটিউবে নিজের একটি ভিডিও চ্যানেল তৈরি করে সেই চ্যানেলের মাধ্যমেও লাইফটাইম আয় করতে পারেন। এ বিষয়ে জেনেসিসব্লগসের জনপ্রিয় টিউনার, হাবিবুর রহমান দীপু তার লেখার মাধ্যমে বিশাল গাইডলাইন দিয়েছিন।
১০।  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং:  অ্যাফেলিয়েটের মাধ্যমে অনেকে আয় করতে চায়।  এ সেক্টরে আয় অনেক বেশি। জানা দরকার এসইও এবং অনলাইন মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান।  ইংরেজি জ্ঞানতো অবশ্যই অনেক বেশি থাকতেই হবে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার এবং সফল হওয়ার গাইডলাইন নিয়ে একটি পোস্ট রয়েছে জেনেসিসব্লগসে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রিসোর্স লিংক:  http://genesisblogs.com/freelancing-2/5964
১১। অনলাইনে উদ্যোক্তা:  কোন কিছুই পারেননা। শুধুমাত্র ফেসবুক চালাতে পারেন। তাহলে ফেসবুককে ব্যবহার করে আপনিও শুরু করতে পারেন সম্পূর্ণ নিজের ব্যবসা। নিজেই তখন একজন উদ্যোক্তা।
ফেসবুকের মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করার সম্পূর্ণ গাইডলাইন পাবেন আমার দুই পর্বের লিখাতে।
উপরের সব লিংকগুলো পড়ে নিজেই সিদ্ধান্ত নিন, আপনি কোন পথে হাটবেন। আপনার পাশের কেউ এক পথে সফল হয়েছেন মানে যে আপনিও সফল হবেন সেই পথে সেটি নাও হতে পারে। সেজন্য নিজের বিবেক দিয়ে সিদ্ধান্ত নিন।

কাজ শিখার এবং সফল হওয়ার গাইডলাইন

সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন। এখন কিভাবে কাজ শিখবেন, সেটি বড় প্রশ্ন। সেই ব্যাপারেও সঠিক গাইডলাইন দিয়ে একটি পোস্ট করেছিলাম।
অনেকে কাজ শিখেও বসে আছে। সফল হতে পারছেন না। কেন পারছেন না, সেটিও খুজে বের করার চেষ্টা করেছি আমার লেখাতে।
ওডেস্ক মার্কেটপ্লেসে কাজ করার পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন দিয়ে তিন পর্বের লেখা রয়েছে আমার। সেটি পড়েও যে কেউ ওডেস্কে কাজ শুরু করা এবং সফল হতে পারবেন।
online-student
আরও একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস ফাইভারেও যারা কাজ শুরু করার চেষ্টা করছেন কিন্তু সফল হতে পারছেন না, তাদের জন্য অবশ্যই সফল হওয়ার জন্য গাইডলাইন দিয়ে লিখেছিলাম। যেটা অনুসরণ করে ইতিমধ্যে অনেকে সফলও হয়েছেন।
এক লেখাতে সবগুলো গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি, এবার সবাই কাজ শুরু করতে পারবেন। আর বসে কেউ থাকবেন না। এখনই মাঠে নামার সময়। সব সময় আমি পাশে আছি। আমার ফেসবুকে যোগাযোগ করতে পারেন। কিংবা ক্রিয়েটিভ আইটিতে নিয়মিত আমরা ক্যারিয়ার গড়ার সবগুলো বিষয় নিয়ে আলাদা আলাদাভাবে সেমিনার আয়োজন করে যাচ্ছি। সবার সুবিধার জন্য সেসব সেমিনারগুলোতে সম্পূর্ণ ফ্রি অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়। সেই সব সেমিনারগুলোর তথ্য জানার জন্য ক্রিয়েটিভ আইটির অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপ (https://www.facebook.com/groups/creativeit) এবং ফেসবুকে পেজের (https://www.facebook.com/CreativeBangladesh) মেম্বার হয়ে থাকুন এবং অ্যাক্টিভ থাকুন। সব ধরনের সহযোগিতা পাওয়া, সব ধরনের গাইডলাইন পাওয়ার পরও যদি আপনি বেকার থাকেন কিংবা অভাবী থাকেন, সেটির জন্য এবার কাকে দায়ি করবেন? এবার নিজের কাছেই নিজেকে প্রশ্ন করুন।  আর যারা এ পোস্টটি পড়বেন, তারা আশা করি অবশ্যই পোস্টটির লিংকটি শেয়ার করবেন।

 
Design by Bloger KaMrul | Bloggerized by KaMrul HaSan - Premium Blogger Themes | Hosted KaMrul Hasan